
কনকনে হিমেল হাওয়ার প্রবাহে তীব্র শীতে জবুথবু অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়। রাত থেকেই কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ছে গোটা জনপদ, আর কনকনে ঠাণ্ডায় কাঁপছে মানুষ। টানা মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে যেন স্থবির হয়ে পড়ছে এই জেলার স্বাভাবিক ছন্দ।
মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি) জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তিন দিন ধরে সূর্যের দেখা নেই বললেই চলে।
শীতের দাপটে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, রিকশা-ভ্যানচালক ও খেটে খাওয়া মানুষ। কাজে বের হলেও শরীর কাঁপে, আয় কমে, দুশ্চিন্তা বাড়ে। ঝুঁকি এড়াতে সড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন।
শীতে স্থবির হয়ে পড়েছে কৃষিকাজও। মাঠে কাজ কমেছে, সবজি ক্ষেতে শিশিরের প্রভাব দেখা যাচ্ছে। অন্যদিকে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন শিশু ও বয়স্করা। হাসপাতাল ও ক্লিনিকে বাড়ছে সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্টের রোগী।
ইজিবাইক চালক আব্দুস সবুর বলেন, ‘সকাল থেকেই রাস্তাঘাট ফাঁকা। যাত্রী নেই একেবারেই। যদিও আমরা পেটের দায়ে বের হচ্ছি, তবে রাস্তায় একাকী ঘুরে ঠাণ্ডায় কাবু হতে হচ্ছে।
কৃষিশ্রমিক রবিউল ইসলাম বলেন, ‘সকালে এতটাই শীত লাগছে যে মাঠে কাজ করা যাচ্ছে না। হাত-পা কাঁপছে। শীতের দাপটে কাজকর্মও কমে গেছে। আয় উপার্জন কমে গেছে।’
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ জামিনুর রহমান জানান, আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রার পারদ আরো হ্রাস পেতে পারে। সেক্ষেত্রে এই শৈত্যপ্রবাহ দীর্ঘ হতে পারে।